রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :

জরুরী সাংবাদিক নিয়োগ চলছে……..রাজশাহীর কথা  অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ সংগ্রহ করার জন্য দেশের সকল জেলা-উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে।

ধুনটে গুদামে চাল দিতে পারবেন না ২৭ কলমালিক

ধুনটে গুদামে চাল দিতে পারবেন না ২৭ কলমালিক

নিউজ ডেস্ক: চলতি আমন মৌসুমে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ২৭ জন চালকল মালিককে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে খাদ্য বিভাগ। গত বোরো মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করেও গুদামে চাল না দেওয়ায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। চালের বাজারমূল্য বেশি এমন অজুহাতে বোরো মৌসুমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করে গুদামে চাল সরবরাহ করেননি ওই ২৭ মালিক।

এদিকে, চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় ধান-চাল কেনায় সাড়া মিলছে না। গুদামে চাল সরবরাহে মিলারদের মাঝে অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে। গত বোরো মৌসুমের ন্যায় আমন মৌসুমেও গুদামে চাল সরবরাহ করে লোকসানের আশংকা করছেন মিলাররা। এ কারণে খাদ্য বিভাগ সময় বৃদ্ধি করলেও কল মালিকেরা গুদামে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন না। ফলে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন খাদ্য বিভাগ।

জানা গেছে, এ উপজেলায় ৭৭টি চালকল রয়েছে। এর মধ্যে আমন ধান সরবরাহের জন্য ৫০ জন চালকল মালিকের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ২৭ জন চালকল মালিকের নামে চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ২টি সরকারি খাদ্য গুদামে চালকল মালিকদের কাছ থেকে ২ হাজার ১৮৭ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ১ হাজার ৫৮ মেট্রিক টন আমন ধান কেনা হবে। কৃষকদের মধ্য থেকে লটারি করে এবার ধান সংগ্রহ করা হবে। একজন কৃষক গুদামে সর্বোচ্চ ৬মেট্রিক টন ধান দিতে পারবেন। এবার ১ কেজি ধানের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা।

অন্যদিকে চুক্তিবদ্ধ চালকল মালিকদের কাছ থেকে ২ হাজার ১৮৭ মেট্রিক টন চাল কেনা হবে। এরমধ্যে সিদ্ধ চাল ১ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন এবং আতব চাল ২৩৭ মেট্রিক টন। এক কেজি সিদ্ধ চাল সরবরাহের জন্য চালকল মালিকদের ৩৭ টাকা এবং এক কেজি আতব চাল সরবরাহের জন্য ৩৬ টাকা দেওয়া হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবেন চালকলের মালিকেরা। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গুদামে ধান ও চাল সরবরাহ করা যাবে।

ধুনট উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম জানান, চলতি আমন মৌসুমে ৫০ জন চালকল মালিকের নামে সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারে চালের দাম বেশি হওয়ায় লোকসান গুণতে হবে। এ কারণে চালকল মালিকেরা খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবন্ধ হচ্ছেন না। এতে এবারও গুদামে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ব্যহত হবে।

ধুনট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেকেন্দার রবিউল ইসলাম জানান, গত বোরো মৌসুমে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পরও গুদামে চাল সরবরাহ না করায় ২৭ জন চালকল মালিককে আমন মৌসুমে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। তবে আমন মৌসুমে ৫০ জন চালকল মালিককের নামে চাল সরবরাহের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হলেও একজনও খাদ্য বিভাগের সাথে চুক্তিবদ্ধ হননি।

নিউজটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন.......




© All rights reserved © 2020 Rajshahirkotha.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com